পাহাড় ধসে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডে মৃত্যু ৬, নিখোঁজ ১১
পাহাড় ধসে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডে মৃত্যু ৬, নিখোঁজ ১১

- আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / ৫ জন পড়েছেন
ভোরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক পাহাড় ধসে অন্তত ছয়জন মারা গেছেন। এছাড়া আরও ১১ জনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
চামোলি, রুদ্রপ্রয়াগ, টেহরি ও বাগেশ্বর—এই চার জেলায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। ভেঙে গেছে বসতবাড়ি, চাপা পড়েছে মানুষ আর গবাদিপশু।
বাগেশ্বরে পাওসারি গ্রামে মাটি চাপায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই নারী। তাদের পরিবারের তিনজন নিখোঁজ, একজন আহত হয়েছেন। চামোলি জেলার মোপাতায় মারা গেছেন বৃদ্ধ দম্পতি। রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় জখোলি গ্রামে ধসে মারা গেছেন এক নারী। একই জেলায় ৮ জন নিখোঁজ। নাম পাওয়া গেছে চারজনের।
এদিকে, দেরাদুন শহরে ভেসে গেছে এক শিশু। তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এসডিআরএফ ও এনডিআরএফ জানিয়েছে, রুদ্রপ্রয়াগের কুণ্ড ও তালজামান এলাকায় অন্তত ৭০ জন আটকে ছিলেন। দড়ি টানিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নদী পার করে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।
ধারাবাহিক ধসে রাজ্যের প্রধান সড়ক যোগাযোগও ভেঙে পড়েছে। চামোলি–নন্দপ্রয়াগ, কেমেদা, ভানেরপানি, গুলাবকোটিসহ একাধিক স্থানে বদ্রিনাথ হাইওয়ে বন্ধ। রুদ্রপ্রয়াগে শিরোবগাঢ় এলাকায় কেদারনাথ হাইওয়ে বন্ধ রয়েছে। ফলে তীর্থযাত্রীদের যাত্রা থমকে গেছে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি ভিডিও কনফারেন্সে জেলার ডিসিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। উদ্ধার তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে টানা বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাখণ্ডের চার জেলায় ভারি বৃষ্টির রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আরও কয়েকটি জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট রয়েছে।
প্রশাসন বলছে, গত এক মাস ধরে উত্তরাখণ্ডে প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটছে। থারালি ও উত্তরকাশীর সাম্প্রতিক ঘটনায় মানুষ ঘরছাড়া হয়েছিল, এবারও একই আতঙ্ক ঘিরে ধরেছে পাহাড়ি জনপদগুলো।