স্টাফ রিপোর্টারঃ ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ট সহচর আলী হোসেন এখন বিএনপিতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। ৫ আগষ্ট ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দেশ থেকে ওসমান পরিবার পালিয়ে গেলেও তার ঘনিষ্ঠ সহচর আলী হোসেন এখন অধরা কোন শক্তির প্রভাবে এখনো সে বহাল তবিয়তে আছেন জনমনে প্রশ্ন?
জানা যায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওসমান পরিবারের সাথে সক্ষতা তৈরি করে সেলিম ওসমানের খুব কাছের লোক হয়ে উঠেন প্রভাবশালী আলী হোসেন। নাসিম ওসমানের সহধর্মিণী আম্মাজান খ্যাত তার সাথে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র সমাজের নেতা রবিউল আউয়াল এর মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে আলী হোসেন এমন কি সন্ত্রাসী আজমেরী ওসমানের সাথে ছিলো সুসম্পর্ক, তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী সরকার থাকাকালীন মুছাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদেও লড়ছেন এই আলী হোসেন। এমন কি মুছাপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন পারা মহল্লার রাস্তায় ও ছিলো তার করা নির্বাচনী ব্যানার ফেস্টুনের ছারাছড়ি। ৫ আগষ্টের সরকার পতনের পর পরই রং পাল্টিয়ে ফেলেন এই আলী হোসেন। জানুয়ারি ২০২৬ সালে নির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল কালাম এর পুত্র নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাওসার আশার সাথে সু সম্পর্ক তৈরি করেন আলী হোসেন তিনি মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচন করা লক্ষ্য তার একমাত্র সম্পর্ক তৈরি। আলী হোসেন দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক থাকার পর ও লেবাস পাল্টিয়ে গিরগিটির মতো এখন বিএনপিতে দৌড়ঝাপ শুরু করতে দেখা যায়।
প্রায় সময়, এমন কি সাংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ ও করেন এই আলী হোসেন, এড.আবুল কালাম নির্বাচিত হওয়ায় তাকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাতে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কালাম এর পুত্র আশার কার্যালয়ে দেখা গেছে আলী হোসেন কে।
এছাড়া ও তার বাড়িতে ও দোয়ার আয়োজন করে বিএনপিতে প্রবেশ করার জন্য একটি পন্থা অবলম্বন হিসেবে ব্যবহার করেন আলী হোসেন।
নাম বলতে অনিচ্ছুক জৈনক জানান বিএনপিতে আওয়ামী লীগের দোসরা প্রবেশ করার কারনে বিএনপির সুনাম নষ্ট হচ্ছে কারন তারা তো বিএনপির কোন আন্দোলন সংগ্রামে রাজনীতির মাঠে সংগ্রামে দেখা যায় নি আলী হোসেন এর মতো লোকদের। এখন প্রায় ১৭ বছর পর আমাদের দলের সু-সময়ে তাদের মতো অতিথি পাখির আগমনে দেখা যাচ্ছে তাদের মতো লোক বিএনপিতে থাকলে ভবিষ্যৎতে বিএনপির জন্য খারাপ ধারনা তৈরি হবে সাধারণ মানুষের মাঝে।