ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল সাত প্রাণ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২১ জন পড়েছেন
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৩৫ বছর বয়সী আসমা। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল সাতজন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, আসমার শরীরের প্রায় অর্ধেক অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।

তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে হাসপাতালে কেবল আট বছরের মুনতাহা ভর্তি আছেন।গত ২৩ আগস্ট ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী পূর্বপাড়া এলাকার একটি টিনশেড বাড়িতে বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পাশাপাশি দুটি ঘরে থাকা অন্তত নয়জন দগ্ধ হন।

তাদের মধ্যে আটজনকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।দগ্ধদের মধ্যে ছিল হাসান (৪০), তার স্ত্রী সালমা (৩২), দুই মেয়ে জান্নাত (৪) ও মুনতাহা (৮), এক মাস বয়সী ছেলে ইমাম উদ্দিন, হাসানের শ্যালিকা আসমা (৩৫) ও তৃষা আক্তার (১৭), আরাফাত (১৮) এবং হাসানের শাশুড়ি তাহেরা আক্তার।

দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে মারা যায় এক মাস বয়সী ইমাম উদ্দিন। এরপর একে একে তাহেরা আক্তার, হাসান, তার মেয়ে জান্নাত, স্ত্রী সালমা, শ্যালিকা তৃষা এবং সর্বশেষ আসমা মৃত্যুবরণ করেন।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ থেকেই আগুন লাগে। তবে এলাকাবাসীর দাবি তিতাস গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণের কারণে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসানের বন্ধু হাবিবুর রহমান জানান, বিস্ফোরণের পরপরই তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু এখন একে একে সাতজন মারা গেলেন।

ট্যাগ :

সংবাদটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল সাত প্রাণ

আপডেট সময় : ০৬:১০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৩৫ বছর বয়সী আসমা। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল সাতজন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, আসমার শরীরের প্রায় অর্ধেক অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।

তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে হাসপাতালে কেবল আট বছরের মুনতাহা ভর্তি আছেন।গত ২৩ আগস্ট ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী পূর্বপাড়া এলাকার একটি টিনশেড বাড়িতে বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পাশাপাশি দুটি ঘরে থাকা অন্তত নয়জন দগ্ধ হন।

তাদের মধ্যে আটজনকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।দগ্ধদের মধ্যে ছিল হাসান (৪০), তার স্ত্রী সালমা (৩২), দুই মেয়ে জান্নাত (৪) ও মুনতাহা (৮), এক মাস বয়সী ছেলে ইমাম উদ্দিন, হাসানের শ্যালিকা আসমা (৩৫) ও তৃষা আক্তার (১৭), আরাফাত (১৮) এবং হাসানের শাশুড়ি তাহেরা আক্তার।

দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে মারা যায় এক মাস বয়সী ইমাম উদ্দিন। এরপর একে একে তাহেরা আক্তার, হাসান, তার মেয়ে জান্নাত, স্ত্রী সালমা, শ্যালিকা তৃষা এবং সর্বশেষ আসমা মৃত্যুবরণ করেন।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ থেকেই আগুন লাগে। তবে এলাকাবাসীর দাবি তিতাস গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণের কারণে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসানের বন্ধু হাবিবুর রহমান জানান, বিস্ফোরণের পরপরই তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু এখন একে একে সাতজন মারা গেলেন।