বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি
- আপডেট সময় : ০৪:১২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২ জন পড়েছেন
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি করেছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স ও ফেসবুকে এই ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি করা হয়। এতে বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে মার্কিন দূতাবাস।
নিরাপত্তা সতর্কতায় বলা হয়, বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। নির্বাচনের সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা বা উগ্রপন্থি হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। এসব হামলার লক্ষ্য হতে পারে নির্বাচনি সমাবেশ, ভোটকেন্দ্র ও ধর্মীয় স্থান।
বার্তায় এ কথা উল্লেখ করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে। বিক্ষোভ-সমাবেশ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের। এছাড়া যেকোনো বড় ধরনের জনসমাগমের আশপাশে অবস্থান বা চলাচলার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি করছিল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। আর ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত।
সে অনুযায়ী, ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সীমিত পরিসরে সশরীর সেবা দেবে বলে জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য কিছু করণীয় বলে দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। এগুলো হলো—
- বড় জনসমাগম ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা।
- সব সময় নিজের আশপাশ বা পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কে সচেতন থাকা।
- স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে নজর রাখা।
- সতর্ক থাকা, চোখে পড়ার মতো কাজ বা অবস্থান এড়ানো।
- জরুরি যোগাযোগের জন্য সব সময় চার্জ করা মোবাইল সঙ্গে রাখা।
- ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা।
- বিকল্প চলাচলের পথের বিষয়ে পরিকল্পনা করা।
























