ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঐশ্বর্য-অমিতাভ-অভিষেক, বচ্চন পরিবারে বিদ্যার দৌড়ে কে এগিয়ে? আজকের মধ্যে ক্রিকেটাররা মাঠে না ফিরলে বিপিএল বন্ধ করে দেবে বিসিবি ট্রাম্পের ওভাল অফিসে দুধের বোতল কেন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরাইল ইরানে হামলা চালাতে যেসব অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র তারেক রহমানের সঙ্গে কী কথা হলো মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শান্তর ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীকের অবস্থান নিয়ে ইসির ব্যাখ্যা চাইল বিএনপি হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি কার্যতালিকায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের পরিপত্র চূড়ান্ত করছে সরকার
বিএনপির মনোনয়ন পেলেও দুটি বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন কাসেমী

বিএনপির মনোনয়ন পেলেও দুটি বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন কাসেমী

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / ১২৩ জন পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন অন্তত তিনজন হেভী ওয়েট প্রার্থী। এরা হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আলহাজ¦ মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহআলম। এই আসনের ভোটারদের মতে এই তিনজনই বিএনপির হেভী ওয়েট প্রার্থী। বিএনপি এদের যেকোনো একজনকে মনোনয়ন দিলেই তিনি জয়ী হবেন। কারন আসনটি বিএনপির ঘাটি হিসাবে পরিচিত। অতীতে কারচুপি করা ছাড়া কোনো নির্বাচনেই এই আসনে বিএনপিকে হারানো যায়নি। তবে এই আসনেই বিএনপি একবার তার নিজ দলের প্রার্থী বাদ দিয়ে একটি ইসলামপন্থী দলের নেতাকে মনোনয়ন দিয়েছিলো। তার নাম মনির হোসেন কাসেমী। জানা গেছে ইসলামী দলের এই নেতা এবারও বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন এবং ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যদিও এই আসনে তার নিজের বা নিজ দলের তেমন কোনো ভোট ব্যাংক নেই। নেই তার নিজস্ব কোনো কর্মী বাহিনীও। তারপরেও তার বিএনপির মনোনয়ন লাভের সম্ভাবনা খুবই বেশি বলে অনেকে মনে করেন। কারন এই আসনে বিএনপির তিন হেভীওয়েট প্রার্থীর কোন্দলের কারনেই তাকে বিএনপি মনোনয়ন দেবে বলে মাঠ পর্যায়ে প্রচার রয়েছে। তাই মনির হোসেন কাসেমীকে বিএনপির মনোনয়ন দিলে তিনি জয়ী হতে পারবেন কিনা সেটা সময় এলেই বুঝা যাবে। কিন্তু তিনি এবারও বিএনপির মনোনয়ন পেলে অন্তত দুইটি বড় দলের কাছ থেকে চ্যালেঞ্জে পড়বেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন। তিনি বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবং জামায়াতের প্রার্থীর কাছে বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন। সূত্র মতে জানা গেছে বিএনপির উল্লেখিত তিন প্রার্থীর কাউকেই মনোনয়ন না দিয়ে যদি মনির হোসেন কাসেমীকে মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে বিএনপির এই তিন প্রার্থীর একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর মহানগরের আমির আবদুল জব্বারকে এরই মাঝে এই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করে রেখেছে জামায়াত। ফলে মনির হোসেন কাসেমীকে মনোনয়ন দিলে এই দুই দিক থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন কাসেমী। তবে এই বিষয়ে কাসেমীর একটি ঘনিষ্ট সূত্র জানিয়েছে মনির হোসেন কাসেমী এসব বিষয় মাথায় রেখেই এগুচ্ছেন। এরই মাঝে তিনি বিএনপি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং তাদের সমর্থন চেয়েছেন। বিএনপি নেতারা তাকে জানিয়েছেন দল যদি তাকে ধানের শীষ প্রতিক দেয়া তাহলে তারা তাকে নিয়েই মাঠে নামবেন। আর তিনি যদি ধানের শীষ প্রতিক পান এবং নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয় তাহলে তিনিই নির্বাচিত হবেন বলে তিনি মনে করেন। কিন্তু বিপরিতে যে দুটি চ্যালেঞ্জের কথা বলা হয়েছে এই দুটি চ্যালেঞ্জ তাকে মোকাবেলা করতেই হবে যদি তিনি বিএনপির মনোনয়ন পান।

ট্যাগ :

সংবাদটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির মনোনয়ন পেলেও দুটি বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন কাসেমী

বিএনপির মনোনয়ন পেলেও দুটি বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন কাসেমী

আপডেট সময় : ০৪:৩০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন অন্তত তিনজন হেভী ওয়েট প্রার্থী। এরা হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আলহাজ¦ মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহআলম। এই আসনের ভোটারদের মতে এই তিনজনই বিএনপির হেভী ওয়েট প্রার্থী। বিএনপি এদের যেকোনো একজনকে মনোনয়ন দিলেই তিনি জয়ী হবেন। কারন আসনটি বিএনপির ঘাটি হিসাবে পরিচিত। অতীতে কারচুপি করা ছাড়া কোনো নির্বাচনেই এই আসনে বিএনপিকে হারানো যায়নি। তবে এই আসনেই বিএনপি একবার তার নিজ দলের প্রার্থী বাদ দিয়ে একটি ইসলামপন্থী দলের নেতাকে মনোনয়ন দিয়েছিলো। তার নাম মনির হোসেন কাসেমী। জানা গেছে ইসলামী দলের এই নেতা এবারও বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন এবং ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যদিও এই আসনে তার নিজের বা নিজ দলের তেমন কোনো ভোট ব্যাংক নেই। নেই তার নিজস্ব কোনো কর্মী বাহিনীও। তারপরেও তার বিএনপির মনোনয়ন লাভের সম্ভাবনা খুবই বেশি বলে অনেকে মনে করেন। কারন এই আসনে বিএনপির তিন হেভীওয়েট প্রার্থীর কোন্দলের কারনেই তাকে বিএনপি মনোনয়ন দেবে বলে মাঠ পর্যায়ে প্রচার রয়েছে। তাই মনির হোসেন কাসেমীকে বিএনপির মনোনয়ন দিলে তিনি জয়ী হতে পারবেন কিনা সেটা সময় এলেই বুঝা যাবে। কিন্তু তিনি এবারও বিএনপির মনোনয়ন পেলে অন্তত দুইটি বড় দলের কাছ থেকে চ্যালেঞ্জে পড়বেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন। তিনি বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবং জামায়াতের প্রার্থীর কাছে বড় চ্যালেঞ্জে পড়বেন। সূত্র মতে জানা গেছে বিএনপির উল্লেখিত তিন প্রার্থীর কাউকেই মনোনয়ন না দিয়ে যদি মনির হোসেন কাসেমীকে মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে বিএনপির এই তিন প্রার্থীর একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর মহানগরের আমির আবদুল জব্বারকে এরই মাঝে এই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করে রেখেছে জামায়াত। ফলে মনির হোসেন কাসেমীকে মনোনয়ন দিলে এই দুই দিক থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন কাসেমী। তবে এই বিষয়ে কাসেমীর একটি ঘনিষ্ট সূত্র জানিয়েছে মনির হোসেন কাসেমী এসব বিষয় মাথায় রেখেই এগুচ্ছেন। এরই মাঝে তিনি বিএনপি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং তাদের সমর্থন চেয়েছেন। বিএনপি নেতারা তাকে জানিয়েছেন দল যদি তাকে ধানের শীষ প্রতিক দেয়া তাহলে তারা তাকে নিয়েই মাঠে নামবেন। আর তিনি যদি ধানের শীষ প্রতিক পান এবং নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয় তাহলে তিনিই নির্বাচিত হবেন বলে তিনি মনে করেন। কিন্তু বিপরিতে যে দুটি চ্যালেঞ্জের কথা বলা হয়েছে এই দুটি চ্যালেঞ্জ তাকে মোকাবেলা করতেই হবে যদি তিনি বিএনপির মনোনয়ন পান।