ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঐশ্বর্য-অমিতাভ-অভিষেক, বচ্চন পরিবারে বিদ্যার দৌড়ে কে এগিয়ে? আজকের মধ্যে ক্রিকেটাররা মাঠে না ফিরলে বিপিএল বন্ধ করে দেবে বিসিবি ট্রাম্পের ওভাল অফিসে দুধের বোতল কেন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরাইল ইরানে হামলা চালাতে যেসব অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র তারেক রহমানের সঙ্গে কী কথা হলো মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শান্তর ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীকের অবস্থান নিয়ে ইসির ব্যাখ্যা চাইল বিএনপি হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি কার্যতালিকায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের পরিপত্র চূড়ান্ত করছে সরকার

ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর প্রথমবারের মতো গাজায় বড়দিন উদযাপন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১ জন পড়েছেন

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান প্রকাশ্যে বড় পরিসরে বড়দিন উদযাপন করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই বছর ধরে দখলদার ইসরাইলের আগ্রাসনের কারণে গাজায় বড়দিনের সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা বন্ধ ছিল। আর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বড়দিনের অনুষ্ঠানগুলো হয় সীমিত পরিসরে বা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছিল।

যিশু খ্রিস্টের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত বেথলেহেমে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে উৎসবে অংশ নেন। তারা সান্তা ক্লজের পোশাক পরে, গান-বাজনা বাজিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পুরো শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।

অবরুদ্ধ গাজায় ফিলিস্তিনিরা বড়দিন উদযাপনের জন্য জড়ো হন চার্চ অব দ্য হলি ফ্যামিলিতে। ইসরাইলি হামলায় এই গির্জাটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বর্তমানে এটি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানেই সীমিত পরিসরে বড়দিন উদযাপন করেন তারা।

ট্যাগ :

সংবাদটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর প্রথমবারের মতো গাজায় বড়দিন উদযাপন

আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান প্রকাশ্যে বড় পরিসরে বড়দিন উদযাপন করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই বছর ধরে দখলদার ইসরাইলের আগ্রাসনের কারণে গাজায় বড়দিনের সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা বন্ধ ছিল। আর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বড়দিনের অনুষ্ঠানগুলো হয় সীমিত পরিসরে বা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছিল।

যিশু খ্রিস্টের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত বেথলেহেমে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে উৎসবে অংশ নেন। তারা সান্তা ক্লজের পোশাক পরে, গান-বাজনা বাজিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পুরো শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।

অবরুদ্ধ গাজায় ফিলিস্তিনিরা বড়দিন উদযাপনের জন্য জড়ো হন চার্চ অব দ্য হলি ফ্যামিলিতে। ইসরাইলি হামলায় এই গির্জাটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বর্তমানে এটি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানেই সীমিত পরিসরে বড়দিন উদযাপন করেন তারা।