ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ভারসাম্যহীন’ জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ভিডিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনো করে মিচেলের সেঞ্চুরি নাম থেকে ‘খান’ পদবী মুছে ফেললেন রোজা নবীপুত্র ইসাখিলের রেকর্ড গড়া ম্যাচে নায়ক তাওহীদ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘ব্ল্যাকমেইল’: ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে এই ভেনেজুয়েলার ‘মীরজাফর’? ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অভিযান, ইউরোপীয় মিত্রদের ‘গালে চড়’ সরকারে গেলে জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য আলাদা বিভাগ হবে: তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিবের বাণী একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আবার রক্ষা করা হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান

‘হঠাৎ স্লোগান দিতে দিতে পিলখানায় ঢোকে ২৫ জন’

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৭৮ জন পড়েছেন

২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটা থেকে পাঁচটার দিকে বা ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে নিউ মার্কেট গেইট দিয়ে হঠাৎ একটি মিছিল ঢোকে। তারা ‘বিডিআর জনতা ভাই ভাই’ স্লোগান দিতে দিতে ভিতরে প্রবেশ করে। প্রায় ২০-২৫ জন ছিল এ দলে। মাগরিবের আজানের সময় তারা আবার বের হয়ে যায়— জাতীয় স্বাধীন কমিশনকে দেওয়া ৮৫ নম্বর সাক্ষী মেজর সৈয়দ মনিরুল ইসলাম তার জবানবন্দিতে এসব কথা বলেছেন।

তার জবানবন্দিতে আরো উঠে এসেছে—পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সাড়ে সাতটা থেকে ৮টার দিকে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ভেতরে ঢুকতে দেখেন। ওই অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিডিআরের অ্যাম্বুলেন্স ছিল না। ঘণ্টা খানেকের মধ্যে সেগুলো ভিআইপি কনভয়ের মতো বের হয়ে যায়।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি) সদর দপ্তরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রকৃত চিত্র উঠে এসেছে জাতীয় স্বাধীন কমিশনকে দেওয়া সাক্ষীদের জবানবন্দিতে। ১১ মাস ধরে তদন্ত করে প্রতিবেদন তৈরি করে এই কমিশন রোববার প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়।

সংবাদটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘হঠাৎ স্লোগান দিতে দিতে পিলখানায় ঢোকে ২৫ জন’

আপডেট সময় : ০৭:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটা থেকে পাঁচটার দিকে বা ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে নিউ মার্কেট গেইট দিয়ে হঠাৎ একটি মিছিল ঢোকে। তারা ‘বিডিআর জনতা ভাই ভাই’ স্লোগান দিতে দিতে ভিতরে প্রবেশ করে। প্রায় ২০-২৫ জন ছিল এ দলে। মাগরিবের আজানের সময় তারা আবার বের হয়ে যায়— জাতীয় স্বাধীন কমিশনকে দেওয়া ৮৫ নম্বর সাক্ষী মেজর সৈয়দ মনিরুল ইসলাম তার জবানবন্দিতে এসব কথা বলেছেন।

তার জবানবন্দিতে আরো উঠে এসেছে—পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সাড়ে সাতটা থেকে ৮টার দিকে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ভেতরে ঢুকতে দেখেন। ওই অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিডিআরের অ্যাম্বুলেন্স ছিল না। ঘণ্টা খানেকের মধ্যে সেগুলো ভিআইপি কনভয়ের মতো বের হয়ে যায়।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি) সদর দপ্তরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রকৃত চিত্র উঠে এসেছে জাতীয় স্বাধীন কমিশনকে দেওয়া সাক্ষীদের জবানবন্দিতে। ১১ মাস ধরে তদন্ত করে প্রতিবেদন তৈরি করে এই কমিশন রোববার প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়।