ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের হামলার শঙ্কায় ফ্লাইট বাতিলের সুযোগ দিচ্ছে ইসরাইলি এয়ারলাইন্স

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১১ জন পড়েছেন

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইসরাইল। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অনিশ্চয়তা ও সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় দেশটির তিনটি এয়ারলাইন্স (এল আল, ইসরায়ার ও আরকিয়া) যাত্রীদের ফ্লাইট বাতিলের বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে।

এয়ারলাইন্সগুলোর বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে যারা নতুন টিকিট কিনবেন, তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ফ্লাইট বাতিল করতে পারবেন। অথবা ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য ভাউচার নিতে পারবেন।

গত বছরের জুন মাসে ইরান-ইসরাইলের ১২ দিনের সংঘাতের সময় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরাইলের আকাশসীমা বেশিরভাগ সময় বন্ধ ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে জবাবে ইসরাইলে হামলা হতে পারে, এই ভয়ে ইসরাইল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

দেশটির জাতীয় এয়ারলাইন্স এল আল জানিয়েছে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কেনা টিকিটের ক্ষেত্রে ফ্লাইটের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত বিনা খরচে বাতিল করা যাবে। অন্যদিকে ইসরায়ার ও আরকিয়া এয়ারলাইন্সও একই ধরনের সুবিধা দিচ্ছে।

এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক আছে এবং ফ্লাইট সূচি অনুযায়ীই চলবে। তবে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছে। মূলত আঞ্চলিক অনিশ্চয়তার কারণে যাত্রীদের তারা ফ্লাইট বাতিলের সুযোগ দেবে।

আরকিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওজ বেরলোভিটজ বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত জটিল দুই বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। এসময় বহু বিদেশি এয়ারলাইন্স তেল আবিবে ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছিল। আরকিয়া যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। এই মুহূর্তে ফ্লাইট সূচি স্বাভাবিকভাবেই চালু রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা অতিরিক্ত ফ্লাইট দিয়ে গন্তব্যগুলোকে শক্তিশালী করব।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরাইলি বর্বরতা শুরুর পর থেকে এবং ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া পর্যন্ত, ইসরাইলি এয়ারলাইন্সগুলোই দেশটিতে ফ্লাইট চালু রেখেছিল।

ট্যাগ :

সংবাদটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরানের হামলার শঙ্কায় ফ্লাইট বাতিলের সুযোগ দিচ্ছে ইসরাইলি এয়ারলাইন্স

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইসরাইল। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অনিশ্চয়তা ও সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় দেশটির তিনটি এয়ারলাইন্স (এল আল, ইসরায়ার ও আরকিয়া) যাত্রীদের ফ্লাইট বাতিলের বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে।

এয়ারলাইন্সগুলোর বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে যারা নতুন টিকিট কিনবেন, তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ফ্লাইট বাতিল করতে পারবেন। অথবা ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য ভাউচার নিতে পারবেন।

গত বছরের জুন মাসে ইরান-ইসরাইলের ১২ দিনের সংঘাতের সময় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরাইলের আকাশসীমা বেশিরভাগ সময় বন্ধ ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে জবাবে ইসরাইলে হামলা হতে পারে, এই ভয়ে ইসরাইল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

দেশটির জাতীয় এয়ারলাইন্স এল আল জানিয়েছে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কেনা টিকিটের ক্ষেত্রে ফ্লাইটের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত বিনা খরচে বাতিল করা যাবে। অন্যদিকে ইসরায়ার ও আরকিয়া এয়ারলাইন্সও একই ধরনের সুবিধা দিচ্ছে।

এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক আছে এবং ফ্লাইট সূচি অনুযায়ীই চলবে। তবে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছে। মূলত আঞ্চলিক অনিশ্চয়তার কারণে যাত্রীদের তারা ফ্লাইট বাতিলের সুযোগ দেবে।

আরকিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওজ বেরলোভিটজ বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত জটিল দুই বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। এসময় বহু বিদেশি এয়ারলাইন্স তেল আবিবে ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছিল। আরকিয়া যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। এই মুহূর্তে ফ্লাইট সূচি স্বাভাবিকভাবেই চালু রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা অতিরিক্ত ফ্লাইট দিয়ে গন্তব্যগুলোকে শক্তিশালী করব।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরাইলি বর্বরতা শুরুর পর থেকে এবং ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া পর্যন্ত, ইসরাইলি এয়ারলাইন্সগুলোই দেশটিতে ফ্লাইট চালু রেখেছিল।