এর পরপরই সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন দেশের সাবেক এই অধিনায়ক।তামিম বলেন, ‘এটা কোনো ইলেকশন না। বাংলাদেশের ক্রিকেটে এই ইলেকশন কালো দাগ হয়ে থাকবে। ’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনারা বলেন ক্রিকেটের ফিক্সিং বন্ধ করেন। আগে নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করেন, এরপর ক্রিকেটের ফিক্সিং বন্ধ করবেন। ’
বিসিবির ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বড় তারকা প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে এমন অভিযোগ তুললেন।
আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বিসিবি নির্বাচন। তবে তামিমের সরে দাঁড়ানো ও অভিযোগের পর এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, এই নির্বাচনকে ঘিরে বোর্ডে কী ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে যাচ্ছে?
তামিমসহ বেশকিছু ক্রিকেট সংগঠকও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তামিমের মতে, ১৩ থেকে ১৫ জন তাদের প্রার্থিতা তুলে নিয়েছেন। এদের মধ্যে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ বোরহানুল ইসলাম এবং রফিকুল ইসলাম বাবুদের মতো আলোচিত প্রার্থীরা রয়েছেন।






















