বন্ধুর বাসায় নিয়ে ধর্ষণের ভিডিও ভাইরালের হুমকি, গ্রেফতার ৪
বন্ধুর বাসায় নিয়ে ধর্ষণের ভিডিও ভাইরালের হুমকি, গ্রেফতার ৪

- আপডেট সময় : ০৫:১১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
- / ৪৪ জন পড়েছেন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হোসিয়ারি কারখানার কিশোরী শ্রমিককে ডেকে বন্ধুর বাসায় নিয়ে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ধর্ষকসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লার পূর্ব শিহাচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- ফতুল্লার শিহাচর লালখা এলাকার ফরিদ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া রিপনের ছেলে মুন্না (১৯), পূর্ব শিহাচর এলাকার আবুল হাশেমের বাড়ির ভাড়াটিয়া রুবেল তালুকদারের ছেলে শ্রাবণ (১৮), একই এলাকার ওসমান গনির ছেলে রাকিব (২০) ও রামারবাগ এলাকার সাগর দাসের ছেলে উত্তম (২০)। গ্রেফতারকৃতরা প্রত্যেকেই ফতুল্লার শিহাচর এলাকার অস্থায়ী বাসিন্দা।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, ১৫ মে বিকালে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পরিচিত মুন্না ওই কিশোরীকে (১৬) ডেকে তার বন্ধু শ্রাবণের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে জোর করে কিশোরীকে ধর্ষণ করে মুন্না। এ সময় কৌশলে সেই ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে শ্রাবণ। এরপর অন্য বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করে মুন্না।
এতে ওই কিশোরী ভয়ে ৫ হাজার টাকা দেয় তাদের। সেই টাকা নিয়ে কয়েক দিন পর আবারো টাকা দাবি করে। তখন বিষয়টি কিশোরী তার পরিবারে অভিভাবকদের জানালে তারা থানায় অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ধর্ষকসহ ৫ জন জড়িত রয়েছে। তাদের মধ্যে ১ জন পলাতক রয়েছে; তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
##
ভাগিনার ছুরিকাঘাতে মামা খুন
মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মীরসরাইয়ে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাগিনা কর্তৃক মামা খুনের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ জুলাই) বিকাল ৫টায় মীরসরাই উপজেলার ৯নং সদর ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামের বেলাল উদ্দিন জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মামা প্রবাস ফেরত হারুন অর রশিদের (৪২) সঙ্গে ভাগিনা শাহীন আলমের (২৪) কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে চালের পানি পড়া নিয়ে হাতাহাতিতে রূপ নিলে ভাগিনা শাহীন ঘর থেকে একটি ছুরি এনে বুকে বিঁধে দেয়। একপর্যায়ে সবাই আহত হারুনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হারুন তালবাড়িয়া গ্রামের সেকান্দারের ছেলে। ঘটনার পর থেকে ভাগিনা শাহীন আলম পলাতক রয়েছে। ছুরিকাঘাত করা ভাগিনা শাহীন আলম একই বাড়ির হালিমের ছেলে। হারুনের একটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী। কিছুদিন পূর্বে ছুটিতে দেশে এসেছেন।
মীরসরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, ভাই-বোনের মধ্যে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। ভাগিনাকে ধরার চেষ্টা চলছে।