
উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। গেল ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন তিনি। এছাড়াও, চলতি মাসের শেষ দিকে এক সম্মেলনে আগামী পাঁচ বছরের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখা তুলে ধরবেন কিম।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নিজের প্রচার-প্রচারণা জোরদার করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। তার ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের কী কী উন্নয়ন হয়েছে তা নানাভাবে তুলে ধরছেন জনগণের সামনে। যাচ্ছেন বিভিন্ন সামরিক মহড়ায়। অত্যাধুনিক সব সমরাস্ত্র ও সমরযানের প্রদর্শনীতেও ঘুরতে দেখা যাচ্ছে তাকে।
এরই ধারাবাহিকতায়, স্থানীয় সময় রোববার উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন কিম। এ সময় সেনাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন তিনি। আগামীতে সেনাবাহিনীকে আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দেন সর্বোচ্চ নেতা।
এছাড়াও, চলতি মাসেই উত্তর কোরিয়ার অন্যতম রাজনৈতিক অনুষ্ঠান কংগ্রেসের নবম আসর শুরু হবে। নির্দিষ্ট তারিখ ও এজেন্ডা জানানো না হলেও, এটি কয়েকদিনব্যাপী চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতি পাঁচ বছরে একবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠনে কিমের পরবর্তী দফার শাসনামলের বিভিন্ন নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের নীতিমালায় অর্থনীতিতে স্বনির্ভরতা ও গণসংহতির ওপর জোর দেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।
তারা বলছেন, কিম আবারও পারমাণবিক কর্মসূচি সম্প্রসারণের ঘোষণা দিতে পারেন। যার মধ্যে কঠিন জ্বালানিচালিত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, মাল্টি-ওয়ারহেড ব্যবস্থা, কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র, গোয়েন্দা উপগ্রহ ও পারমাণবিক সাবমেরিনের পরিকল্পনা থাকতে পারে।
পররাষ্ট্রনীতিতে মস্কো ও বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বার্তাও আসতে পারে কিমের ঘোষণায়।