প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 11, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Mar 11, 2026 ইং
ঈদে ভোগান্তি ও ভাড়া নৈরাজ্যের শঙ্কা

সোজাসাপটা রিপোর্ট
পরিবহনে জ্বালানি তেল সরবরাহের নির্ধারিত সিলিং পদ্ধতি ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়াবে, ভাড়া নৈরাজ্য উস্কে দেবে, যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা আরও একধাপ বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অন্তত ঈদের দিন পর্যন্ত পরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে তিনি বলেন, আসন্ন ঈদে ঢাকা ও আশেপাশের জেলা থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামের বাড়ি যাবে।
এ ছাড়াও দেশের এক জেলা থেকে অপর জেলায় আরও ৩-৪ কোটি মানুষের যাতায়াত হবে। বিভিন্ন শ্রেণির লঞ্চে ৪০ লাখ ট্রিপ, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ৩০ লাখ ট্রিপ, হিউম্যান হলারে ৮০ লাখ ট্রিপ, কার-মাইক্রোবাসে ৬০ হাজার ট্রিপ, দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসে ৩০ লাখ ট্রিপ, ঢাকার সিটিবাসে ৪০ লাখ ট্রিপ, রাইডশেয়ারিংয়ের মোটরসাইকেলে ২ কোটি ৫০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর যাতায়াত হতে পারে।
বিবৃতিতে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এত অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত সামাল দেওয়ার মতো গণপরিবহন ব্যবস্থা আমাদের নেই। একদিকে গণপরিবহন সংকট, অন্যদিকে প্রতিটি পরিবহনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।
এমন পরিস্থিতিতে পরিবহনে জ্বালানি তেল সরবরাহে সিলিং পদ্ধতি পরিবহনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা বাধাগ্রস্ত করবে। এমন সুযোগে কিছু অসাধু পরিবহন মালিক ভাড়া নৈরাজ্য চালাবে।
তিনি বলেন, যানজট-জনজটে নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত বাধাগ্রস্ত হবে। বারবার জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের যাতায়াত বিলম্বিত হবে।
এতে গণপরিবহনগুলোর নির্ধারিত ট্রিপ বাতিল হয়ে সিডিউল লন্ডভন্ড হতে পারে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঈদের দিন পর্যন্ত পরিবহনে জ্বালানি তেল সরবরাহের সিলিং পদ্ধতি বাতিল করে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের দাবি জানান তিনি।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকার দৈনিক সোজা সাপটা