ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ভারসাম্যহীন’ জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ভিডিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনো করে মিচেলের সেঞ্চুরি নাম থেকে ‘খান’ পদবী মুছে ফেললেন রোজা নবীপুত্র ইসাখিলের রেকর্ড গড়া ম্যাচে নায়ক তাওহীদ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘ব্ল্যাকমেইল’: ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে এই ভেনেজুয়েলার ‘মীরজাফর’? ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অভিযান, ইউরোপীয় মিত্রদের ‘গালে চড়’ সরকারে গেলে জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য আলাদা বিভাগ হবে: তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিবের বাণী একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আবার রক্ষা করা হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান
চারবার ফোন করেছেন ট্রাম্প, ধরেননি মোদি

চারবার ফোন করেছেন ট্রাম্প, ধরেননি মোদি

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৬৯ জন পড়েছেন

গত কয়েক সপ্তাহে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলতে চারবার ফোন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি একবারও ফোন ধরেননি বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ফ্রাঙ্কফ্রুটার অলজেমাইন।

মাইন্টস ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি বলেছে , ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ হওয়ায় হয়ত তিনি ফোন ধরেননি। আবার সতর্কতার অংশ হিসেবেও তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফোন ধরা থেকে বিরত থাকতে পারেন।

ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যা ব্রাজিলের পর কোনো দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শুল্ক। ভারতের শুল্কের জবাবে প্রথমে দেশটির পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প।

এরপর রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত করেন তিনি। যা ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

জার্মানির বার্লিনভিত্তিক গ্লোবাল পাবলিক পলিসি ইনস্টিটিউটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক থোরস্টেন বেনার এক্সে একটি পোস্টে লিখেছেন, “পত্রিকাটি দাবি করেছে ট্রাম্প সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মোদিকে চারবার ফোন করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু মোদি সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন।” তিনি পত্রিকার একটি ছবি পোস্টে যুক্ত করেছেন।

ফ্রাংকফুর্টার অ্যালজেমেইন জানিয়েছে, মোদির মধ্যে এমন কিছু লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, যাতে বোঝা যায়, তিনি অপমানিত বোধ করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প সাধারণত অন্য দেশগুলোর মার্কিন বাজারের ওপর নির্ভরতাকে কাজে লাগিয়ে সুবিধা আদায় করেন। কিন্তু মোদি তার প্রথম মেয়াদে ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থে কোনো আপস না করে ট্রাম্পের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে ‘এর প্রতিরোধ’ করেছিলেন।

ট্রাম্প বারবার কথা বলতে চাইলেও মোদি সেটি প্রত্যাখ্যান করায় ‘ট্রাম্পের ওপর মোদির ক্ষোভের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া সতর্কতাও ফুটে উঠেছে।’ যোগ করে পত্রিকাটি।

ট্রাম্প কিছুদিন আগে ভিয়েতনামের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা করেন। যা দেশটির নেতার তো লামের সঙ্গে একটি ফোনকলের পর তড়িঘড়ি করে আয়োজন করা হয়।

পরবর্তীতে ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট দেন, ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো চুক্তি হয়নি।

ভিয়েতনামের নেতার মতো ট্রাম্পের এই ফাঁদে পড়তে চান না মোদি— এটির সতর্কতার অংশ হিসেবে তিনি ফোন ধরেননি বলেও ধারণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

ট্যাগ :

সংবাদটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চারবার ফোন করেছেন ট্রাম্প, ধরেননি মোদি

চারবার ফোন করেছেন ট্রাম্প, ধরেননি মোদি

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

গত কয়েক সপ্তাহে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলতে চারবার ফোন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি একবারও ফোন ধরেননি বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ফ্রাঙ্কফ্রুটার অলজেমাইন।

মাইন্টস ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি বলেছে , ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ হওয়ায় হয়ত তিনি ফোন ধরেননি। আবার সতর্কতার অংশ হিসেবেও তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফোন ধরা থেকে বিরত থাকতে পারেন।

ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যা ব্রাজিলের পর কোনো দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শুল্ক। ভারতের শুল্কের জবাবে প্রথমে দেশটির পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প।

এরপর রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত করেন তিনি। যা ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

জার্মানির বার্লিনভিত্তিক গ্লোবাল পাবলিক পলিসি ইনস্টিটিউটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক থোরস্টেন বেনার এক্সে একটি পোস্টে লিখেছেন, “পত্রিকাটি দাবি করেছে ট্রাম্প সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মোদিকে চারবার ফোন করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু মোদি সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন।” তিনি পত্রিকার একটি ছবি পোস্টে যুক্ত করেছেন।

ফ্রাংকফুর্টার অ্যালজেমেইন জানিয়েছে, মোদির মধ্যে এমন কিছু লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, যাতে বোঝা যায়, তিনি অপমানিত বোধ করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প সাধারণত অন্য দেশগুলোর মার্কিন বাজারের ওপর নির্ভরতাকে কাজে লাগিয়ে সুবিধা আদায় করেন। কিন্তু মোদি তার প্রথম মেয়াদে ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থে কোনো আপস না করে ট্রাম্পের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে ‘এর প্রতিরোধ’ করেছিলেন।

ট্রাম্প বারবার কথা বলতে চাইলেও মোদি সেটি প্রত্যাখ্যান করায় ‘ট্রাম্পের ওপর মোদির ক্ষোভের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া সতর্কতাও ফুটে উঠেছে।’ যোগ করে পত্রিকাটি।

ট্রাম্প কিছুদিন আগে ভিয়েতনামের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা করেন। যা দেশটির নেতার তো লামের সঙ্গে একটি ফোনকলের পর তড়িঘড়ি করে আয়োজন করা হয়।

পরবর্তীতে ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট দেন, ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো চুক্তি হয়নি।

ভিয়েতনামের নেতার মতো ট্রাম্পের এই ফাঁদে পড়তে চান না মোদি— এটির সতর্কতার অংশ হিসেবে তিনি ফোন ধরেননি বলেও ধারণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।